তাকাশিমার পথচলা
-
১৯৭৪ ০ বছর
ওইতা প্রদেশে জন্ম
জন্মদিন ১ নভেম্বর। এই সাইটের নাম “19741101” হল জন্মদিনের সংখ্যা।
-
ছোটবেলা ৬–১৮ বছর
ওইতার স্কুলে পড়া
ওইতার প্রাইমারি, মিডল আর হাই স্কুল শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন।
-
১৯৯৭ ২২–৩৫ বছর
টিভি সংবাদপাঠক হলেন
ফুকুওকার টিভি চ্যানেল “KBC কিউশু আসাহি ব্রডকাস্টিং”-এ সকালের অনুষ্ঠান “আসাদেসু।” ইত্যাদিতে দেখা যেত তাঁকে। প্রো-রেসলিংয়ের ধারাভাষ্যও (খেলাটা কথায় শোনানোর কাজ) করতেন।
-
২০১০ ৩৬ বছর
ফুকুওকা শহরের মেয়র হলেন
নির্বাচনে জিতলেন। তখন জাপানের বড় শহরগুলোর মেয়রদের মধ্যে তিনিই ছিলেন সবচেয়ে কমবয়সী মেয়র।
-
২০১০–২০২৬ ৩৬–৫২ বছর
১৬ বছর, ফুকুওকা শহরকে প্রাণবন্ত করলেন
নির্বাচনে পরপর ৪ বার জিতলেন। ফুকুওকা হয়ে উঠল জাপানের সেই শহর, যেখানে সবচেয়ে বেশি মানুষ বেড়েছে।
-
২০২২ ৪৭ বছর
ছবির বই “ছোট্ট হাঁসের স্বপ্ন” লিখলেন
“বড়রা কি শিশুদের স্বপ্নের পাশে দাঁড়াতে পারে?” এই ভাবনা নিয়ে ছবি আর লেখা, সবই নিজে করলেন।
-
২০২৬ ৫১ বছর
মেয়র পদ থেকে অবসরের ঘোষণা
ঘোষণা দিলেন, পরের নির্বাচনে দাঁড়াবেন না। ১৬ বছর ধরে চলা মেয়রের কাজ ২০২৬-এ একটা মোড়ে পৌঁছায়।
আরও জানতে চাও?
তাকাশিমার গলা শোনার একটা পডকাস্টও আছে: “সোইচিরো তাকাশিমার মোচি নো রোন”। বাড়ির বড়দের সঙ্গে বসে শোনো।
বড়দের জন্য: সোইচিরো তাকাশিমা অফিসিয়াল ফ্যান সাইট (বড়দের জন্য)
এখানে(নতুন ট্যাবে খুলবে)। এই ছবির বইয়ের ছবি আর লেখা লেখক সোইচিরো তাকাশিমার কাজ।


